আশিক ইসলাম,বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
বাগমারায় সাম্বাসিবল পাম্প (মোটর) বিতরনে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আব্দুল জব্বারের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে পৃথভাবে তিনটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার ভবানীগঞ্জ পৌরসভার দানগাছী মহল্লার বাসিন্দা আক্কেল আলী, বাসুপাড়া ইউনিয়নের বালানগর গ্রামের নাজমুল হোসেন ও মাড়িয়া ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া গ্রামের আব্দুল মজিদ অভিযোগগুলো করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বাগমারার ১৬ ইউনিয়নের গরীব ও অসচ্ছল পরিবারের মাঝে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে ১৯২ টি সাম্বাসিবল পাম্প (মোটর) সরকারিভাবে বরাদ্দ হয়। এই কাজ বাস্তবায়নের জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হিসাবে বরগুনার এক ঠিকাদার দায়িত্ব পান। প্রকৌশলী আব্দুল জব্বার ওই ঠিকাদারের কাছে থেকে প্রকল্পের কাজ কিনে নেন। এরপর তার পছন্দমত ঠিকাদারের মাধ্যমে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা ওইসব সাম্বাসিবল পাম্প বরিং করেন। পিভিসি বরিং থেকে শুরু করে প্লাটফম পর্যন্ত ড্রয়িং ডিজাইন ফলো ছাড়াই করা হয়েছে। এছাড়া ২০২২-২৩ অর্থ বছরে জাতীয় নির্বাচনের পূর্বের এমপি এনামুল হকের তালিকাভুক্ত ১২০ টি সাম্বাসিবল পাম্পের মধ্যে থেকে ২০ জনের নাম কেটে দিয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী তার নিজের আত্নীয়-স্বজনের মাঝে বিতরণ করেন। শুধু তাই নয় ২০২৩-২৪ অর্থ বছরেও বরাদ্দের সময় নির্বাচিত সরকার না থাকায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উপর দায়িত্ব পড়ে। সেক্ষেত্রেও কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে ইউএনও’র সুপারিশ করা আবেদনগুলো বাদ দিয়ে প্রায় ৮০ টিরও বেশি মোটর প্রকৌশলী তার নিজের আত্নীয়-স্বজনের মাঝে বিতরণ করেন। তাছাড়া প্রকৌশলী সাম্বাসিবল পাম্প দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ভুক্তভোগী নাজমুল হোসেন ও আব্দুল মজিদের কাছে থেকে সরকারী কোষাগারে জমা দেয়ার কথা বলে ৭ হাজার ২০০ টাকা করে নিয়েও তা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে। তবে কারো কাছে থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর আব্দুল জব্বার বলেন, অভিযোগকারী নাজমুলের জন্য একটি সাম্বাসিবল পাম্প বরাদ্দ চেয়ে ঢাকায় চাহিদা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলেই তাকে তা দেওয়া হবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিজু তামান্না বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর সঙ্গে এ বিষয়ে গতকাল কথাও হয়েছে। কাজেই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |