বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার বেলঘরিয়া হাট ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা মো. তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে করা মানববন্ধনের প্রতিবাদে পাল্টা মানববন্ধন করেছেন মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
রোববার (৫ অক্টোবর) মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর দাবি করে এর প্রতিবাদ জানান বক্তারা।
মানববন্ধনে মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল ইসমাইল আলম আল-হাসানী বলেন, ‘গতকাল (শনিবার) কয়েকজন ব্যক্তি অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করেছেন, সেগুলো অনৈতিক, অসত্য ও সম্পূর্ণ মানহানিকর। আমরা এসব অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
তিনি বলেন, ‘অধ্যক্ষের পাশাপাশি একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি।’
ইসমাইল আলম আল-হাসানী আরও দাবি করেন, বাগমারা উপজেলায় অন্যান্য মাদ্রাসার তুলনায় এ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি। বিভিন্ন বোর্ড পরীক্ষায়ও প্রতিষ্ঠানটির ফলাফল ভালো এবং এ কারণে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন পর্যায়ে প্রশংসা ও পুরস্কার পেয়েছে।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাদের দাবি, মাদ্রাসায় নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং শিক্ষার পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে। কিছু বহিরাগত ব্যক্তি মাদ্রাসার পরিবেশ ও অধ্যক্ষের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এসব অভিযোগ তুলেছেন বলেও দাবি করেন তারা।
একই সঙ্গে মাদ্রাসার স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান তারা।
এর আগে শনিবার (৪ অক্টোবর) একই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা মো. তাজুল ইসলামের অপসারণ ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ওই কর্মসূচিতে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা মো. তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গতকালের মানববন্ধনে আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, সবগুলোই মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির কমিটি নিয়ে স্থানীয় দুই পক্ষের বিরোধের জেরে আমার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যাচার করা হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, অভিযোগগুলো সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করা হলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |